বেদনাভুক বিষণ্ণ কবি
এক কাপ চা হাতে চায়
দিগন্তরেখার ধারে উদ্দীপ্ত
একাদশীর চাঁদের পানে
গোধূলির রঙে ছোঁয়া
চাঁদের আড়ালে কবি দেখে
বিগত প্রেয়সীর ছায়া
এক কাপ চা হাতে চায়
দিগন্তরেখার ধারে উদ্দীপ্ত
একাদশীর চাঁদের পানে
গোধূলির রঙে ছোঁয়া
চাঁদের আড়ালে কবি দেখে
বিগত প্রেয়সীর ছায়া
যার সাথে, হয়নি দেখা
কুড়ি মাসের অধিকতর কালে
কুড়ি মাসের অধিকতর কালে
বিগত প্রেয়সীর চোখে কবি
দেখেছিলো ভালোবাসার প্রলয়
আশ্রয় ছিলো, শান্তির দেশে
যে প্রশান্ত চোখের ছায়া
তারই অনলে পুড়ে আজ কবি
একাকী পথের বাঁকে
নিরুদ্দেশ ধায়
দেখেছিলো ভালোবাসার প্রলয়
আশ্রয় ছিলো, শান্তির দেশে
যে প্রশান্ত চোখের ছায়া
তারই অনলে পুড়ে আজ কবি
একাকী পথের বাঁকে
নিরুদ্দেশ ধায়
জীবনের চতুর্থ দশকের
ক্রান্তিলগ্নে এসে, কবি
নগরের সুশীতল উচ্চ ভবনের ছাদে
আলতো আগুন পোহায়,
শীতল হাওয়ার বিপরীতে
ক্রান্তিলগ্নে এসে, কবি
নগরের সুশীতল উচ্চ ভবনের ছাদে
আলতো আগুন পোহায়,
শীতল হাওয়ার বিপরীতে
কবির আরাধনা ছিলো
চন্দ্র গগনের সমান
কাব্যের সীমানা পেরিয়েও
কাব্য, কবির হয়েছিলো অধরা
চন্দ্র গগনের সমান
কাব্যের সীমানা পেরিয়েও
কাব্য, কবির হয়েছিলো অধরা
সেই সংশয়ে কবি
শ্রান্তির স্রোতধারা দেখে
মুগ্ধ নয়নের মাঝে
অবসন্ন প্রতিদিনের আয়নায়
শ্রান্তির স্রোতধারা দেখে
মুগ্ধ নয়নের মাঝে
অবসন্ন প্রতিদিনের আয়নায়
দুচোখের প্রলয়কান্না বসে
আন্তরিক অন্তরায়
কবি ভাবে
কবে হবে দুঃখের সাথে
আলিঙ্গন সমাপ্তির
আন্তরিক অন্তরায়
কবি ভাবে
কবে হবে দুঃখের সাথে
আলিঙ্গন সমাপ্তির
বিষণ্ণতার অবয়ব আছে দাঁড়িয়ে
ছাদের প্রাচীরের প্রান্তে
যেখানে অস্তিত্বের সাথে হয়
অজানার মিলনমেলা কুয়াশায়
ছাদের প্রাচীরের প্রান্তে
যেখানে অস্তিত্বের সাথে হয়
অজানার মিলনমেলা কুয়াশায়
দেয়ালের প্রান্ত ছাড়িয়ে
শীতল আয়োজন করে ধূপছায়
কবির সাথে খেলা করে বেদনা
কঠিন নিঠুর লাস্যে, অবহেলে
শীতল আয়োজন করে ধূপছায়
কবির সাথে খেলা করে বেদনা
কঠিন নিঠুর লাস্যে, অবহেলে
সেই লাস্যে শ্রান্ত কবির
অশান্ত আহাজারি প্রাত্যহিক
গাহে
বিদায়ের আবেদন
অশান্ত আহাজারি প্রাত্যহিক
গাহে
বিদায়ের আবেদন
কোন মোহে, মোহিনীর মায়া থেকে
হবে মুক্তি, আকুতির
কাব্যের
হবে মুক্তি, আকুতির
কাব্যের
{অসমাপ্ত}