সেই প্রত্যুষে, যখন আধার নীরবতায় আচ্ছন্ন ধরণী –
কিছুটা শ্রান্ত, কিছুটা শিহরিত, তাড়িত মন জুড়ে,
অবাধ্য হৃদয়ের কষ্টগুলো আলতো হাতে মুছে,
সাহসগুলো একোণ, ওকোণ থেকে কুড়োতে কুড়োতে —
নীরব আঁধারে গুছিয়েছিলাম কটি ব্যাগ
সামান্য সম্বল— বই, বসন, ব্যাধির বিধান
বেঁধেছি নীরবে, অলমোস্ট প্রস্তুত, মুক্তির সন্ধানে, ক্ষীণকায়।
কিছুটা শ্রান্ত, কিছুটা শিহরিত, তাড়িত মন জুড়ে,
অবাধ্য হৃদয়ের কষ্টগুলো আলতো হাতে মুছে,
সাহসগুলো একোণ, ওকোণ থেকে কুড়োতে কুড়োতে —
নীরব আঁধারে গুছিয়েছিলাম কটি ব্যাগ
সামান্য সম্বল— বই, বসন, ব্যাধির বিধান
বেঁধেছি নীরবে, অলমোস্ট প্রস্তুত, মুক্তির সন্ধানে, ক্ষীণকায়।
যখন শুরু হয়নি পথ চলা, তোমার আমার একসাথে,
সম্ভব ছিল না যে সহযাত্রা, অগাধ ভালোবাসায়
স্বপ্নের সে পথে চলেছি শতবর্ষে, বৃথা আনাগোনায়।
দশটি বছর দাঁড়িয়ে একা, কাব্যের বাইরে— দিশেহারা।
ক্ষুদ্র গল্প, ক্লান্ত কথা, কালো রাতের করুণ দীর্ঘশ্বাস,
অল্প স্মৃতি, আজও আঁকড়ে আছে অসমাপ্ত আশ্বাস।
সম্ভব ছিল না যে সহযাত্রা, অগাধ ভালোবাসায়
স্বপ্নের সে পথে চলেছি শতবর্ষে, বৃথা আনাগোনায়।
দশটি বছর দাঁড়িয়ে একা, কাব্যের বাইরে— দিশেহারা।
ক্ষুদ্র গল্প, ক্লান্ত কথা, কালো রাতের করুণ দীর্ঘশ্বাস,
অল্প স্মৃতি, আজও আঁকড়ে আছে অসমাপ্ত আশ্বাস।
এই ঘোর অন্ধকারে, বলো, ভালোবাসা কতটুকু বাঁচে?
হৃদয় সঁপেছিলাম তোমার তরে, তুমি ছিলে কি পাশে— কাছে?
আজ সে হৃদয় ছিন্নভিন্ন, চেনা চিহ্ন সব গেছে মুছে,
ব্যথায় বিবর্ণ, বিদায়
হৃদয় সঁপেছিলাম তোমার তরে, তুমি ছিলে কি পাশে— কাছে?
আজ সে হৃদয় ছিন্নভিন্ন, চেনা চিহ্ন সব গেছে মুছে,
ব্যথায় বিবর্ণ, বিদায়
হৃদয়ের সবথেকে বড় কথাটা... না, বাকিটুকু আর বলবো না,
(আজ নয়, হয়তো আরেকদিন…)
(আজ নয়, হয়তো আরেকদিন…)
তবুও বের হতে চেয়েছিলাম, গুটিয়ে দিলে চলার সে পথ—
আঁকড়ে ধরলে যেন অতীতের ছায়া, ভাঙা শপথ।
আঁকড়ে ধরলে যেন অতীতের ছায়া, ভাঙা শপথ।
কুঁড়েঘর বা শ্রান্ত দালান— বনোবাসের কারাগার,
যেখানে অন্ধকার নেমে আসে বারবার।
যেখানে অন্ধকার নেমে আসে বারবার।
আজো দাঁড়িয়ে আমি,
নীহারিকার অমোঘ আকর্ষে
তোমার নীরব চাহনির গভীরে বাঁধা,
মুক্তির অভিলাষ মনে,
তবু পায়ে ভয়ের আঠালো মায়া!
নীহারিকার অমোঘ আকর্ষে
তোমার নীরব চাহনির গভীরে বাঁধা,
মুক্তির অভিলাষ মনে,
তবু পায়ে ভয়ের আঠালো মায়া!
সেখানে — শুধু ক্ষয়ে গেছি প্রতি ক্ষণে, প্রতি নিশ্বাসে,
চূর্ণ কাঁচের মতো অস্তিত্ব, নীরব হয়ে বিঁধে বুকে, প্রতিশ্বাসে
চূর্ণ কাঁচের মতো অস্তিত্ব, নীরব হয়ে বিঁধে বুকে, প্রতিশ্বাসে
এই প্রত্যুষে, এখনো আধার নীরবতায় আচ্ছন্ন ধরণী –
শুধু শ্রান্ত, না শিহরিত, ক্লান্ত মন জুড়ে,
অবাধ্য হৃদয়ের কষ্টগুলো অভ্যাসবশে মুছে,
যেটুকু ছিল সাহস, সেটুকু কুড়িয়ে
নীরব আঁধারে গুছিয়ে কটি ব্যাগ
সামান্য সম্বল— বই, বসন, ব্যাধির বিধান
বেঁধেছি নীরবে, যেন প্রস্তুত, মুক্তির ক্ষীণতম আলোয়।
শুধু শ্রান্ত, না শিহরিত, ক্লান্ত মন জুড়ে,
অবাধ্য হৃদয়ের কষ্টগুলো অভ্যাসবশে মুছে,
যেটুকু ছিল সাহস, সেটুকু কুড়িয়ে
নীরব আঁধারে গুছিয়ে কটি ব্যাগ
সামান্য সম্বল— বই, বসন, ব্যাধির বিধান
বেঁধেছি নীরবে, যেন প্রস্তুত, মুক্তির ক্ষীণতম আলোয়।
নীহারিকা!
আমার ভালোবাসা,
আজ জানাতে হলো — বিদায়
আমার ভালোবাসা,
আজ জানাতে হলো — বিদায়